তাজা খবর
কাঁঠাল পাতার কথা বলে উপহাস করতেন মোরশেদ খান

কাঁঠাল পাতার কথা বলে উপহাস করতেন মোরশেদ খান

বিএনপির নেতা ও সাবেক মন্ত্রী মোরশেদ খান কখনোই কালুরঘাট সেতু নির্মাণের জন্য কোনো প্রকল্প নেননি। বরং তিনি ‘ছাগলে কাঁঠাল পাতা পেলে খুশি হয়’ বলে বোয়ালখালীবাসীকে উপহাস করতেন।

কালুরঘাট বহুমুখী রেল কাম সড়ক সেতু নির্মাণের বিষয়ে বিএনপির মিথ্যাচারের প্রতিবাদে বোয়ালখালী উপজেলা ১৪ দলের সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানানো হয়। সোমবার (৭ অক্টোবর) দুপুরে চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবে এ সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন বোয়ালখালী উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এমএ ইছা।

সম্প্রতি নগর বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক এরশাদ উল্লাহ সংবাদ সম্মেলন করে কালুরঘাট সেতু নির্মাণের জন্য সরকারের প্রতি দাবি জানান।

১৪ দলের সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, বিএনপির মুখে কালুরঘাট সেতু বা উন্নয়নের কথা মানায় না। এরশাদ উল্লাহ দাবি করেছেন মোরশেদ খান এ সেতুর জন্য ২৭৫ কোটি টাকার প্রকল্প নিয়েছিলেন কিন্তু সময়ের অভাবে পারেননি। তা একেবারে ডাহা মিথ্যা। মোরশেদ খান কোনো দিন কালুরঘাট সেতুর জন্য কাজ করেননি। এমনকি বিএনপি দলগতভাবেও কোনো কাজ করেনি। জনগণকে বিভ্রান্ত করতে এরশাদ উল্লাহ এমন বক্তব্য দিয়েছেন।

এমএ ইছা বলেন, আমরা পরিষ্কারভাবে জানাতে চাই কালুরঘাট সড়ক ও রেল সেতু বর্তমান আওয়ামী লীগ সরকারের আমলেই নির্মিত হবে এবং সংসদ সদস্য মাঈনুদ্দিন খান বাদল ইদানীং সেতুটি করার জন্য যে চেষ্টা ও তদবির চালিয়ে যাচ্ছেন তাকে সমবেতভাবে সহযোগিতা করতে হবে।

তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী ইতিমধ্যে ঘোষণা করেছেন কালুরঘাট সড়ক ও রেল সেতু নির্মাণ করা হবে। ইতিমধ্যে প্রধানমন্ত্রী সংসদ সদস্য বাদলকে গণভবনে ডেকে নিয়ে বলেছেন সেতুটি করে দেবেন। এ ব্যাপারে উনার পক্ষ থেকে এলাকাবাসীকে জানাতে আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফকে অনুরোধ করেছেন। তিনি বিষয়টি জানিয়েছেনও।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের কেন্দ্রীয় সদস্য ছৈয়দুল আলম, দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক আবদুল কাদের সুজন, বোয়ালখালী উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আহমদ হোসেন, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের বোয়ালখালী উপজেলা সভাপতি মনির উদ্দিন খান, সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল হক, উপজেলা আওয়ামী লীগ নেতা সিরাজুল হক বাদশা, আবদুল ওয়াদুদ, হাসান উদ্দিন প্রমুখ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*