তাজা খবর
আনন্দ শিপইয়ার্ডের ১০ লাখ কেজি পাইপের নিলাম বুধবার

আনন্দ শিপইয়ার্ডের ১০ লাখ কেজি পাইপের নিলাম বুধবার

জাহাজ নির্মাণকারী প্রতিষ্ঠান আনন্দ শিপইয়ার্ডের আমদানি করা প্লাস্টিক ও লোহার পাইপ নিলামে তুলেছে কাস্টমস কর্তৃপক্ষ। আগামীকাল বুধবার বেলা আড়াইটায় ঢাকা ও চট্টগ্রামের তিনটি স্থানে নিলামে অংশ নিতে পারবেন যে কেউ।

আনন্দ শিপইয়ার্ডের যে পাইপ নিলামে তোলা হয়েছে সেগুলো আমদানি করা হয়েছে ২০১৪ সালে। এই চালানটিতে ১৫০ কনটেইনারে ১০ লাখ ৩৭ হাজার কেজি পাইপ রয়েছে। সে সময় চালানটি খালাস না নেওয়ায় দীর্ঘদিন বন্দরে পড়েছিল। প্রায় পাঁচ বছরের মাথায় সব কনটেইনার খুলে যাচাই-বাছাই করে নিলামে তোলে কাস্টমস। এর আগে একদফায় নিলামে তোলা হলেও কেউ দর দেয়নি।

মেঘনাঘাটে অবস্থিত আনন্দ শিপইয়ার্ড সূত্রে জানা গেছে, ২০১৪ সালে পানি উন্নয়ন বোর্ডের ড্রেজার নির্মাণের একটি আন্তর্জাতিক দরপত্রে অংশ নিয়ে যোগ্য দরদাতা হয় প্রতিষ্ঠানটি। ওই দরপত্রে আনুষঙ্গিক যন্ত্রপাতিসহ চারটি ২৬ ইঞ্চি ড্রেজার নির্মাণের কার্যাদেশ ছিল। মোট ৩৬৪ কোটি টাকার ওই চারটি ড্রেজারের জন্য আনুষঙ্গিক উপাদান হিসেবে এই পাইপ আনা হয়েছিল।

পণ্য আমদানি করে কেন খালাস করেনি শিপইয়ার্ডটি তা জানতে জাহাজ নির্মাণ কারখানাটির নির্বাহী পরিচালক তারিকুল ইসলামের মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, সে সময় শুল্কমুক্ত সুবিধায় এই পাইপ আমদানি করা হয়েছিল। কিন্তু রাজস্ব বোর্ডের একটি আদেশের অস্পষ্টতা নিয়ে জটিলতা তৈরি হয়। আমদানিমূল্য পরিশোধ করা হয়েছে। আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ে সেটি আর খালাস করা হয়নি।

নিলামের তালিকায় দেখা যায়, ১৫০ কনটেইনারের মধ্যে প্রায় দুই হাজারটি ইস্পাত ও এইচডিপিই (উচ্চ ঘনত্বের পলিথিলিন) পাইপ রয়েছে। ২০ ফুট থেকে ৪০ ফুট লম্বা এসব পাইপের আকার ২৫ দশমিক পাঁচ ইঞ্চি। পুরু এক ইঞ্চি।

কাস্টমস এর নিলাম শাখার উপকমিশনার মাজেদুল হক বলেন, পাইপের একটিসহ মোট ২০১টি চালান নিলামে তোলা হয়েছে। আগামীকাল চট্টগ্রাম কাস্টম হাউস, জেলা প্রশাসকের কার্যালয় ও ঢাকার কাকরাইলে শুল্ক আবগারি ও ভ্যাট কমিশনারেটের কার্যালয়ে দরপত্র জমা দেওয়া যাবে। বুধবার দরপত্রদাতাদের উপস্থিতিতে এই দরপত্র খোলা হবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*