তাজা খবর
চট্টগ্রামের ৪ বিদ্যুৎকেন্দ্রের ৫৬৯ মেগাওয়াট যাবে জাতীয় গ্রিডে

চট্টগ্রামের ৪ বিদ্যুৎকেন্দ্রের ৫৬৯ মেগাওয়াট যাবে জাতীয় গ্রিডে

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সারা দেশের আরও ২৩টি উপজেলাকে শতভাগ বিদ্যুতায়নের আওতায় আনতে বুধবার (১৩ নভেম্বর) সকাল ১০টায় সাতটি বিদ্যুৎ কেন্দ্রের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করলেন। গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে এসব বিদ্যুৎ কেন্দ্র উদ্বোধন করা হল। এর মধ্যে চট্টগ্রামের রয়েছে চারটি বিদ্যুৎ কেন্দ্র।

এগুলো হলো ৩০০ মেগাওয়াটের আনোয়ারা পাওয়ার প্ল্যান্ট, ১১০ মেগাওয়াটের কর্ণফুলী পাওয়ার প্ল্যান্ট, ১০৫ মেগাওয়াটের শিকলবাহা বিদ্যুৎ কেন্দ্র ও ৫৪ মেগাওয়াটের পটিয়া পাওয়ার প্ল্যান্ট। এ চারটি কেন্দ্র থেকে মোট ৫৬৯ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদিত হবে। ফলে স্থানীয় চাহিদা পূরণ করে জাতীয় গ্রিডেও যোগ হবে চট্টগ্রামে উৎপাদিত বিদ্যুৎ।

চট্টগ্রামের নতুন এই চার বিদ্যুৎ কেন্দ্র ৫৬৯ মেগাওয়াট বিদ্যুতের যোগান দেবে। এর মধ্যে লোহাগাড়া উপজেলায় শতভাগ বিদ্যুতায়ন করবে পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি। চট্টগ্রামের মোট ২২টি বিদ্যুৎ কেন্দ্র বর্তমানে ১ হাজার থেকে ১৩০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করে থাকে। পিক আওয়ারে বড় শিল্পকারখানাগুলো বন্ধ থাকায় ১৩০০ ও অফপিক আওয়ারে ১ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুতের চাহিদা থাকে।

চট্টগ্রামে একবছর আগেও জাতীয় গ্রিড থেকে ২০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ যোগ হতো। নতুন চারটি কেন্দ্রের মাধ্যমে ৫৬৯ মেগাওয়াট যোগ হওয়ার ফলে চট্টগ্রামে মোট বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা হবে প্রায় ২৪০০ মেগাওয়াট। ইতোমধ্যে চট্টগ্রামের ১৫ উপজেলায় শতভাগ এবং সন্দ্বীপে ৬৫ ভাগ বিদ্যুতায়ন হয়েছে।

চট্টগ্রাম বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের প্রধান প্রকৌশলী প্রদীপ কুমার সেন বলেন, নতুন চারটি কেন্দ্র থেকে ৫৬৯ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের ফলে চট্টগ্রামের চাহিদা পূরণ হয়ে বাকিটা জাতীয় গ্রিডে যোগ হবে।

তিনি বলেন, চট্টগ্রামে কোনো বিদ্যুৎ সংকট নেই। তবে কোনো এলাকায় সঞ্চালন লাইনের কাজ হলে সেখানে সাময়িক বিদ্যুৎ বন্ধ থাকে।

সাতটি বিদ্যুৎকেন্দ্রের মধ্যে চট্টগ্রামের ৪টি ছাড়া রয়েছে ১১৩ মেগাওয়াট রংপুর পাওয়ার প্ল্যান্ট, ৮ মেগাওয়াটের তেঁতুলিয়া পাওয়ার প্ল্যান্ট এবং ১০০ মেগাওয়াটের গাজীপুর পাওয়ার প্ল্যান্ট।

পল্লী বিদ্যুৎ বোর্ড (বিআরইবি) সূত্র জানায়, শতভাগ বিদ্যুতায়নের আওতায় আসা ২৩টি উপজেলা হলো বগুড়া জেলার গাবতলী, শ্রীপুর ও শিবগঞ্জ উপজেলা, চট্টগ্রামের লোহাগড়া উপজেলা, ফরিদপুর জেলার মধুখালী, নগরকান্দা ও সালথা উপজেলা, গাইবান্ধা জেলার ফুলছড়ি, গাইবান্ধা সদর ও পলাশবাড়ি উপজেলা, হবিগঞ্জ জেলার মাধবপুর ও নবীগঞ্জ উপজেলা, ঝিনাইদহ জেলার কালীগঞ্জ ও মহেশপুর উপজেলা, কিশোরগঞ্জ জেলার করিমগঞ্জ উপজেলা, নাটোর জেলার বড়াইগ্রাম, লালপুর ও সিংড়া উপজেলা, নেত্রকোনা জেলার বারহাট্টা ও মোহনগঞ্জ উপজেলা, পিরোজপুর জেলার ভাণ্ডারিয়া, কাউখালী ও ইন্দুরকানী উপজেলা।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*