তাজা খবর
চট্টগ্রাম বন্দরের প্রবৃদ্ধির করোনা মহামারী জয়

চট্টগ্রাম বন্দরের প্রবৃদ্ধির করোনা মহামারী জয়

চট্টগ্রামে দেশের প্রধান সমুদ্রবন্দরে করোনা মহামারীর সময়কালের তীব্র কনটেইনার জট, বহির্নোঙরে জাহাজের জট, ঘূর্ণিঝড় আম্ফানের শঙ্কায় জেটি জাহাজশূন্য সহ অনেক প্রতিবন্ধকতার মধ্যেও পূর্বের অর্থবছরের চেয়ে ইতিবাচক প্রবৃদ্ধি ধরে রাখতে সক্ষম হয়েছে  ।

চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের সচিব মো. ওমর ফারুক বলেন,বন্দরে ২০১৯-২০ অর্থবছরে ১০ কোটি ১৫ লাখ ৬৫ হাজার ২৭২ টন কার্গো (পণ্য) হ্যান্ডলিং হয়েছে । যা এর আগের অর্থবছরে ছিলো ৯ কোটি ৮২ লাখ ৪০ হাজার ৬৫৫ টন। এবং এ বছর প্রবৃদ্ধি হয়েছে ৩ দশমিক ৪ শতাংশ।

বন্দর সচিব জানান, বিদায়ী অর্থবছরে এ বন্দর কনটেইনার হ্যান্ডলিং করেছে ৩০ লাখ ৪ হাজার ১৪২ টি ই ইউ এস (২০ ফুট কন্টেইনার)। আগের অর্থবছরে যা ছিলো ২৯ লাখ ১৯ হাজার ২৩ টি ই ইউ এস। এবার প্রবৃদ্ধি হয়েছে ২ দশমিক ৯ শতাংশ।

করোনার কারণে চীনসহ বিভিন্ন দেশ থেকে পণ্য আমদানি, এলসি খোলা, জাহাজ আসায় কিছুটা স্থবিরতা নেমে এসেছিলো কয়েক মাস। তারপরও সদ্য বিদায়ী অর্থবছরে বন্দর কর্তৃপক্ষ জেটি ও বহির্নোঙর মিলে জাহাজ হ্যান্ডলিং করেছে ৩ হাজার ৭৬৪টি। আগের অর্থবছরে (২০২৮-১৯) যা ছিলো ২ হাজার ৬৯৯টি। এবার প্রবৃদ্ধি হয়েছে ১ দশমিক ৭৫ শতাংশ।

চট্টগ্রাম বন্দরের এমন সাফল্যের জন্য বন্দরের কর্মকর্তা-কর্মচারী, মেইন লাইন অপারেটর, শিপ হ্যান্ডলিং অপারেটর, সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট, শিপিং এজেন্ট, টার্মিনাল অপারেটর, বার্থ অপারেটর, বিজিএমইএ, আমদানিকারক, রফতানিকারকসহ সংশ্লিষ্ট সব স্টেক হোল্ডারদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান বন্দর চেয়ারম্যান। যাদেরকে অর্থনৈতিক যোদ্ধা হিসেবে ও অবহিত করা হয়।

বন্দর চেয়ারম্যান বলেন, আমদানি-রফতানি জুলাইয়ের শেষনাগাদ পুরোদমে  শুরু হলে দেশের অর্থনীতির গতি ধীরে ধীরে আগের অবস্থানে চলে আসবে। মাতারবাড়ী সমুদ্রবন্দর, বে টার্মিনাল, পতেঙ্গা কনটেইনার টার্মিনাল (পিসিটি) সহ বড় প্রকল্পগুলোর কাজ এগিয়ে চলছে। নতুন নতুন হ্যান্ডলিং ইক্যুইপমেন্ট সংযোজনও অব্যাহত রয়েছে। সব মিলে আগামী দিনে বন্দরের সক্ষমতা ও প্রবৃদ্ধি আশাতীত বাড়বে।

চট্টগ্রাম বন্দরের প্রবৃদ্ধিতে বাংলাদেশের অর্থনীতি ও প্রবৃদ্ধির মুখ দেখবে এমনটাই আশা করা হচ্ছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*