তাজা খবর
নৌপথকে ব্যবসায়ে গতি আনার অন্যতম পথ হিসেবে গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার

নৌপথকে ব্যবসায়ে গতি আনার অন্যতম পথ হিসেবে গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার

দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলির সাথে স্থানীয় ব্যবসা ও রফতানি-আমদানি কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার জন্য নদী ও সমুদ্র বন্দরসমূহকে আধুনিকীকরণের মাধ্যমে নৌপথকে আধুনিকীকরণের মাধ্যমে নৌপথ ব্যবহারের পদক্ষেপ নিয়েছে বাংলাদেশ।

এই পদক্ষেপের অংশ হিসাবে, সরকার মংলা বন্দর ও পায়রা বন্দরকে উন্নীতকরণ এবং মাতারবাড়িতে আরও একটি গভীর সমুদ্র বন্দর স্থাপনসহ বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করছে।

এ ব্যাপারে সরকারের সকল পদক্ষেপগুলি বর্ণনা করেন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী । তিনি বলেন, “সরকার দেশ-বিদেশে বাংলাদেশের ব্যবসায়ের উন্নয়নে নৌপথে ব্যবহৃত নদীগুলির আধুনিকীকরণ করার চেষ্টা করছে।”

নদীসমূহকে দেশের অর্থনীতির প্রাণরেখা হিসাবে চিহ্নিত করে এই কনিষ্ঠমন্ত্রী বলেন, সরকার চট্টগ্রাম বন্দরের সক্ষমতা বিকাশ করেছে, মংলা ও পায়রা বন্দরকে আধুনিকায়ন করেছে এবং কক্সবাজারের মাতারবাড়িতে গভীর সমুদ্র বন্দর স্থাপনের পদক্ষেপ নিয়েছে।

পাইরা বন্দরের অগ্রগতি সম্পর্কে আওয়ামী লীগের প্রাক্তন সাংগঠনিক সম্পাদক খালিদ বলেছেন, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের ভুল সিদ্ধান্তের কারণে পাইরা বন্দরের কাজ বন্ধ ছিল কিন্তু প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তার পূর্ব পরিকল্পনা বাদ দিয়ে পথ প্রশস্ত করেছেন।

আগামী দুই থেকে তিন বছরের মধ্যে বন্দরটি পুরোদমে পরিচালিত হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি। তিনি আরো বলেন যে, বিগত ১০ বছরে চট্টগ্রাম বন্দরের সক্ষমতা বৃদ্ধি হয়েছে বহুগুণে।পাশাপাশি সেখানে নতুন একটি বে টার্মিনাল নির্মাণের কাজও চলছে ।

নদী দূষণ সম্পর্কে খালিদ বলেন, পূর্ববর্তী সরকার এইদিকে কোন মনোযোগ দেয়নি, তাই নদীগুলি বর্জ্যের জন্য ডাম্পিং স্টেশন হিসাবেই ব্যবহৃত হত।তবে আওয়ামী লীগ সরকার পানি দূষণ প্রশমিত করতে এ ক্ষেত্রে অনেকগুলো প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে।
তিনি বলেন, “আমরা নদীগুলিকে দূষণমুক্ত করতে পারলে ব্যবসায়ের এক বিরাট সুযোগ হবে,” তিনি আরও যোগ করেন, সরকার এ ধরণের ব্যবসায়ের উন্নয়নে শিগগিরই ওয়াকওয়ে এবং ইকো পার্ক নির্মাণ করবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*